জিয়া ছিলেন পাকিস্তানের গুপ্তচর: নানক

জিয়া ছিলেন পাকিস্তানের গুপ্তচর: নানক

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান পাকিস্তানের গুপ্তচর ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক।

শনিবার দুপুরে সারুলিয়া বাজার সংলগ্ন মাঠে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও দুস্থদের মাঝে খবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  ডেমরা থানা আওয়ামী লীগ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড আমাদের জন্য চরম শিক্ষা। বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের নিহত সব সদস্যদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।  আর এ শিক্ষা নিয়েই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী-দেশপ্রেমিকদের দলের কর্মী বানাতে হবে। তাহলেই একটি আর্দশ দল হিসেবে আওয়ামী লীগ পুনর্গঠন হবে।

তিনি বলেন, ৭৫’র এ ঘটনা কেন ঘটল এটা খুঁজতে হলে ৭১ কে খুঁজতে হবে।  জেনারেল জিয়া পাকিস্তানের গুপ্তচর হিসেবে মুক্তিযুদ্ধকে ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ব্যর্থ জিয়া ও  তার সব সহযোগী স্বাধীনতা বিরোধীরা বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পরিকল্পনা করে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। আজকে শেখ হাসিনা বেঁচে আছেন বলেই তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে রোল মডেলে পরিচিতি পেয়েছে।

আওয়ামী লীগের এই নেতা আরও বলেন, বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়া, জামায়াতের গোলাম আজম ও নিজামীর নেতৃত্বে ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল।  তিনি আরও বলেন, জামায়াত-শিবির যে দলে ঢুকে সে দল কখনোই দেশের জন্য সুফল বয়ে আনতে পারে না। আর ৭১ এর দালালরা এদেশে কখনোই তাদের উদ্দেশ্য সফল করতে পারবে না। বরং তাদের এদেশ থেকে চিরতরে উৎখাত করা হবে।

নানক বলেন, এখনও একটি কুচক্রি মহল শেখ হাসিনার উন্নয়নকে দুর্বার গতিকে বাঁধাগ্রস্থ করতে চাচ্ছে।  কিন্তু শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গড়া বাংলাদেশের সুসংঘঠিত আওয়ামী লীগ ও এদেশের মানুষ ওই কুচক্রীদের কখনোই সফল হতে দেবে না। এ দেশকে উন্নত দেশে রূপান্তর করতে কোনো বাঁধাই টিকে থাকতে পারবে না। আল্লাহর রহমতে দেশরতœ শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে উঠবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির ও ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনু।  উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মিজবাউর রহমান ভ‚ইয়া রতন,সহ-সভাপতি শরফুদ্দিন আহম্মেদ সেন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম সারোয়ার কবির, সদস্য সালাউদ্দিন বাদল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এফ এম শরিফুল ইসলাম শরিফ প্রমুখ।

Comments