প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আতঙ্কগ্রস্ত আলজাজিরা ভাইরাসে, রিজভী

 

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

হয়রানিমূলক মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, দলের প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ সাতক্ষীরার ৩৪ নেতাকর্মী, পাবনায় ৪৭ নেতাকর্মীকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ‘ফরমায়েশি সাজা’ দেওয়া এবং দলটির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদকে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

রিজভী বলেন, আজকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে হঠাৎ করে অন্যায়ভাবে কোনো সুযোগ না দিয়ে নড়াইলের একটি আদালতে সাজানো মামলায় সাজা দেওয়া হলো। তার পর এখন আমরা কী দেখতে পাচ্ছি, স্বাধীনতার ঘোষক জেড ফোর্সের অধিনায়ক জিয়াউর রহমান, তার নাকি খেতাব কেড়ে নেওয়া হবে। আর এটির সিদ্ধান্ত নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। আমাদের বক্তব্য হচ্ছে– কীসের জন্য হঠাৎ করে এ বিষয়টি সামনে নিয়ে আসা হলো? এগুলোর পেছনে তো সরকার আছে। শেখ হাসিনা আছেন। দেশের এই কীর্তিমান মহানায়কের খেতাব কেন কেড়ে নেওয়া হবে? ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কেন সাজা?’

আওয়ামী লীগের উদ্দেশে বিএনপির এই নেতা বলেন, আপনাদের অনেক নেতা বলেন যে, জিয়াউর রহমান নাকি পাকিস্তানের চোর রাজাকার। তা হলে যে ব্যক্তিটি জিয়াউর রহমানকে বীর উত্তম খেতাব দিলেন আজকের প্রধানমন্ত্রীর পিতা, তিনি কত বড় রাজাকার? উনি তো জিয়াউর রহমানকে বীর উত্তম খেতাব দিয়েছিলেন, আপনারা সেই খেতাব মুছে দেবেন? পারবেন না। গ্রামের কুঠিরে কুঠিরে জিয়াউর রহমানের নাম। পদ্মা-মেঘনার উত্তাল স্রোতে জিয়াউর রহমানের নাম, কোকিলের কণ্ঠে জিয়াউর রহমানের নাম, এই নাম মানুষের হৃদয় থেকে মানুষের অন্তর থেকে এই মাফিয়া সরকার মুছে ফেলতে পারবে না।’

এখন রাষ্ট্রীয় খেতাব কারা পাচ্ছেন- এমন প্রশ্ন রেখে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘এখন খেতাব পাবে কে? খেতাব পাবে দুই খুনের আসামি, চার খুনের আসামি; পাঁচ খুনের আসামিরা। আর জিয়াউর রহমানের মতো দেশমাতৃকার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের খেতাব কেড়ে নেওয়া হবে। কারণ কী? সেটি তো আমরা আলজাজিরায় দেখতেই পাচ্ছি। আজকে খুনিরা অভিনন্দিত, খুনিদের খেতাব দেওয়া হয়। কারণ এই রাষ্ট্র মাফিয়ারা চালাচ্ছে, এই রাষ্ট্র গুণ্ডারা চালাচ্ছে।’

Comments