মানিকগঞ্জ ও ফরিদপুরে বাজারে আসছে নতুন পেঁয়াজ,বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে

মানিকগঞ্জ ও ফরিদপুরে বাজারে আসছে নতুন পেঁয়াজ,বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে

 বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় ক্ষেত থেকে অপরিপক্ক পেঁয়াজ তুলে বিক্রি শুরু করেছে মানিকগঞ্জের সিংগাইরের কৃষকরা। স্থানীয় বাজারে এই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে। এদিকে, কয়েকদিনের পরেই চাষিদের ঘরে উঠবে ফরিদপুরের মুড়িকাটা জাতের পেঁয়াজ। এর ফলে দাম কমে আসবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে বাজারে উঠছে পাতা পেঁয়াজ। দাম ভাল পাওয়ায় আগেভাগেই ক্ষেত থেকে পেয়াঁজ তুলে বাজারে আনছেন এখানকার কৃষকরা। আগাম জাতের এই পিয়াঁজ স্থানীয় বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে। প্রতিদিন এগুলো যাচ্ছে রাজধানী ঢাকা ও  এর আশপাশের  বিভিন্ন এলাকায়।

পাতা পেঁয়াজের দাম নাগালের ভেতরে থাকায় কিছুটা স্বস্তিতে আছেন স্থানীয় ক্রেতারা। এ উপজেলায় এবার ৭০ হেক্টর জমিতে এ জাতের পেঁয়াজ আবাদ হয়েছে। সিংগাইর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা টিপু সুলতান স্বপন জানান, অন্য পেঁয়াজের মতই এর গুনগত মান।

অন্যদিকে, ফরিদপুরের চরাঞ্চলে এবারো মুড়িকাটা জাতের পেঁয়াজের ব্যাপক আবাদ হয়েছে। শেষ সময়ে ক্ষেতের পরিচর্যা করছেন চাষীরা। ক’দিন বাদেই ক্ষেত থেকে উঠানো শুরু হবে পেঁয়াজ। মৌসুমের শুরুতে কয়েক দফা প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলেও চাষীরা ভাল ফলনের আশা করছেন।

বিঘা প্রতি পেঁয়াজের আবাদে খরচ হয়েছে প্রায় ৫০হাজার টাকা। চাষীরা বলছেন, বাজার ভাল থাকলে প্রতিবিঘায় ১লাখ ২০ হাজার টাকা পাওয়া যাবে।

ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কার্তিক চন্দ্র চক্রবত, পেঁয়াজ চাষের জন্য চাষীদের বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

চলতি বছর ফরিদপুরে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্র ধরা হয়েছে ৩৭ হাজার ২২৫ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে প্রায় ৬ হাজার হেক্টরে মুড়িকাটা পিঁয়াজের আবাদ হয়েছে।

Comments