যুবলীগের যুগান্তকারী আশ্রয় কর্মসূচি চলমান থাকবে: শেখ পরশ

যুবলীগের যুগান্তকারী আশ্রয় কর্মসূচি চলমান থাকবে: শেখ পরশ

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ইং, বিকাল ৪টায়, ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ প্রাঙ্গণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা’র ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল। সভাপতিত্ব করেন-ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইন উদ্দিন রানা, সঞ্চালনা করেন-ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেন-কেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের এতো প্রিয় ব্যক্তি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আমরা যে যার মতো করে ভালবাসি, শ্রদ্ধা করি। তিনি কিভাবে এতো শ্রদ্ধা ও ভালবাসা অর্জন করলেন; কি তাঁর বৈশিষ্ট? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনেক দিন ধরে রাজনীতি করছেন। তাঁর কর্মী হিসেবে আপনারা অবদান রেখে যাচ্ছেন। তাঁর ভালবাসা অর্জনের কারণ তাঁর সততা, নিষ্ঠা আর পরিশ্রম। কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে তিনি আমাদের সবার শ্রদ্ধা ভালবাসা জয় করে নিয়েছেন। আমি খুব কাছে থেকে দেখেছি একটা কর্মী মারা গেলে নেত্রী কিভাবে মর্মাহত হয়েছেন। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় তাঁর শক্ত মন, কিন্তু ভিতর থেকে তিনি কোমল মনের অধিকারি। সেকারণেই তিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী।

তার পরে আসুন তাঁর আন্তরিকতার কথায়-আন্তরিকতায় তিনি অনন্য, অদ্বিতীয়। কর্মীর প্রতি তাঁর মমত্ববোধ, ভালবাসা আমাদের শিক্ষা দেয় কিভাবে একজন কর্মীর প্রতি ভালবাসা রাখতে হয়। তিনি তাঁর যোগ্যতা দিয়ে কর্মীদের ভালবাসা অর্জন করেছেন। তাঁর সততা ও ত্যাগের উদাহরণ আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে। অসাধারণ সাহসিকতার অধিকারী আমাদের নেত্রী। আমি কখনো তাকে অন্যায়ের সাথে আপোষ করতে দেখিনি।

তিনি বলেন-মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক জীবন থেকে আমরা শিখতে পাই- কর্মীদের সাথে সবসময় সৎ ব্যবহার করতে হবে। কর্মীদের দুরে সরিয়ে রাখা চলবে না, মনে রাখবেন সবার আগে কর্মীরাই বুকে গুলি ধারণ করে। কর্মীরা আছে বলেই আমরা নেতা। পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ, সহকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আমরা নেত্রীর কাছ থেকে শিখতে পারি। তিনি কখনো কোন কর্মীর প্রতি কটু কথা বলেন না। অনেক সময় অনেক সহকর্মীর প্রতি অনেক বিষয়ে অমিল লাগতে পারে কিন্তু আমি দীর্ঘদিন তাঁর সান্নিধ্যে ছিলাম। তিনি কখনোই কারও প্রতি কটু কথা বলেন নি।

আমরা যদি আমাদের রাজনীতিতে সংস্কৃতির পরিবর্তন আনতে চাই, আমরা যদি সংস্কার রাখতে চাই তাহলে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। নীতি আদর্শের ক্ষেত্রে আপস করা যাবে না। একটি আদর্শ দিয়েই রাজনীতি করতে হবে, বুঝতে হবে আমার আদর্শটা কি। আমরা মুখে বলি মুজিব আদর্শে বিশ্বাস করি কিন্তু আগে বুঝতে হবে মুজিব আদশটা কি। রাজনীতি করার তত্ত্বটা অন্তত পরিস্কার রাখতে হবে। রাজনীতিটা কি জন্য করেন, নিজের পকেট ভারি করার জন্য, হিরো হওয়ার জন্য, না কি ফেমাস হওয়ার জন্য, না কি দেশকে ভালবেসে রাজনীতি করেন, না কি সমাজকে কিছু দেওয়ার জন্য রাজনীতি করেন এসব বিষয়ে আমাদের সবাইকে চিন্তা করা উচিত।

সর্বপরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জীবন থেকে আমরা যে শিক্ষা পাই সেটা হলো দেশকে ভালবাসার শিক্ষা। নেত্রী আমাদেরকে শিখিয়েছেন দেশকে কিভাবে ভালবাসা যায়। দেশপ্রেম ছাড়া কখনই একটা মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়া সম্ভব নয়। বাংলাদেশ যে মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে তা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার দেশপ্রেমের জন্য।
তিনি আরও বলেন-ভবিষ্যতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মী সৃষ্টি করতে হবে। কি সেই আদর্শ? সেই বিষয়টা পরিস্কার করতে হবে। আমরা বলি মুজিববাদের আদর্শ, তাঁর মানে আমাদের গণতন্ত্র মনা হতে হবে। আমাদের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তাহলেই হবে মুজিব আদর্শ এবং আমাদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। আমাদের সকলকে নিয়ে সাম্য সমতার রাজনীতি করতে হবে। শোষনমুক্ত সমাজ গঠন করতে হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৩ থেকে ২৪ বছর জেল-জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন সহ্য করে এই বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছেন। ২০০ বছর আমরা পরাধীন ছিলাম। পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করে বঙ্গবন্ধু আমাদের দেশ দিয়েছেন, মানচিত্র দিয়েছেন, স্বাধীনতা দিয়েছেন। জাতীয় সংগীত দিয়েছেন। সুতরাং আমাদেরকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। আমাদের এই দেশটাকে এগিয়ে নিতে হলে কি প্রয়োজন ? প্রয়োজন মেধাভিত্তিক রাজনীতি, দেশপ্রেম, বিজ্ঞানভিত্তিক, তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক একটি অবকাঠামো। সমাজ, পরিবার, প্রতিবেশিকে উন্নয়ন করার দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে।

আত্মতৃপ্তি বা স্বার্থপর হলে আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারবো না। আত্মনির্ভরশীল, উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গড়ার জন্য আমাদের সেই ধরণের নেতা কর্মী দরকার যারা অন্যের কথা ভাবে।

তিনি আরও বলেন-বঙ্গবন্ধু আমাদের মানচিত্র দিয়েছেন-নেত্রী দিয়েছেন অর্থনৈতিক মুক্তি। তিনি আমাদের জাতিগতভাবে সম্মান দিয়েছেন। দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোর, যুবসমাজ নিয়ে আমারা এগিয়ে যেতে পারবো না। সর্বশেষ বলতে চাই সাফল্যের কোন সহজ পথ নেই। খুব তাড়াতাড়ি উপরে ওঠার চেষ্টা করলে ধপাস করে নিচে পড়ে যাবেন।

যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ আরও বলেন-আমরা গতকাল অসহায়-দুঃস্থ, ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের আশ্রয়ের জন্য ১০টি ঘর দিয়েছি। আমার জানামতে যুবলীগ ব্যতীত কোন রাজনৈতিক সংগঠন অসহায়, ভূমিহীন, গৃহহীন মানুষের জন্য ব্যক্তিগতভাবে ঘর তৈরি করে দেয়নি। যুবলীগ নেতা-কর্মীরা এই মহৎ কাজটি করেছে। এজন্য আমি যুবলীগের নেতা-কর্মীদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমরা দেশের প্রতিটি জেলায় আমাদের সাধ্যমত আশ্রয়হীনদের ঘর দিবো। আমাদের এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যের যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন-আমার নেত্রী বাংলার দুঃখী মানুষের নেত্রী, বাংলার কামার-কুমারের নেত্রী, বাংলার জেলে, বাংলার কৃষক, বাংলার যুবক, বাংলার ছাত্র সমাজের নেত্রী। যার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ মাথা উচু করে দাঁড়িয়েছে, যার নেতৃত্বে আমরা বাঙালি জাতি হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি সেই প্রিয় নেত্রীর জন্মদিনে মহান আল্লাহর কাছে তাঁর দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি। আমি বিশ্বাস করি, এদেশের উন্নয়নের জন্য, এদেশের গরীব দুঃখী মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের জন্যই মহান আল্লাহ পাক তাঁকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে জিয়াউর রহমান এদেশের মানুষের উপর অত্যাচার করেছেন, অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছেন। সেই দুর্বিসহ অন্ধকার মূহুর্তে ১৯৮১ সালের ১৭ মে এদেশের মানুষের জন্য আলোক বর্তিকা হিসেবে আবির্ভূত হন রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা।

দীর্ঘ ১৫ বছর তিনি বিএনপি-জামাতের নানা ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে মানুষের ভাত-ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি নিজের জীবন বাঁজি রেখে স্বৈরশাসক এরশাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে নবদিগন্তে। সেই বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখার জন্য হুমকি দিচ্ছেন তারেক জিয়া, ফখরুলরা।

আজকে শপথ গ্রহণ করে বলতে চাই বাংলার যুবসমাজকে কোন দিন দাবিয়ে রাখতে পারেন নি। বাংলার যুবসমাজ আমার প্রিয় নেত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার পাশে থেকে বিএনপি-জামাতের সকল ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিবে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন-যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এ্যাড. মামুনুর রশীদ, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ এনামুল হক খান, মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার, ইঞ্জি. মৃনাল কান্তি জোদ্দার, মোঃ জসিম মাতুব্বর, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সুব্রত পাল, মোঃ রফিকুল আলম জোয়ার্দার সৈকত, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জহির উদ্দিন খসরু, মোঃ সোহেল, আবু মুনির মোঃ শহিদুল হক রাসেল, মশিউর রহমান চপল, এ্যাড. ড. শামীম আল সাইফুল সোহগ, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, দপ্তর সম্পাদক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক কাজী সারোয়ার হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোঃ সাদ্দাম হোসেন পাভেল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শামছুল আলম অনিক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিপ্লব মুস্তাফিজ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মীর মোঃ মহিউদ্দিন, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আবদুল হাই, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্দুল মুকিত চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মুক্তা আক্তার, উপ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা, উপ-শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও পাঠাগার সম্পাদক কাজী খালিদ আল মাহমুদ টুকু, উপ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সফেদ আশফাক আকন্দ তুহিন, উপ-তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এন আই আহমেদ সৈকত, উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফজলে রাব্বী স্মরণ, উপ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্দুর রহমান জীবন, উপ-কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মোল্লা রওশন জামির রানা, উপ-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক হরে কৃষ্ণ বৈদ্য, সহ-সম্পাদক আবির মাহমুদ ইমরান, গোলাম ফেরদৌস ইব্রাহিম, মোঃ আব্দুর রহমান জীবন, মোঃ আরিফুল ইসলাম, মোঃ আলমগীর হোসেন শাহ জয়, মোঃ কামরুল হাসান লিংকন, মোঃ বাবলুর রহমান বাবলু, এ কে এম মুক্তাদির রহমান শিমুল, মোঃ মনিরুজ্জামান পিন্টু, মোঃ মনিরুল ইসলাম আকাশ, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, এ্যাড. মোঃ গোলাম কিবরিয়া, প্রফেসর ড. মোঃ আরশেদ আলী আশিক, শাম্মি খান, রাজু আহমেদ ভিপি মিরান, ইঞ্জি. আবু সাইদ মোঃ হিরো, মোঃ মুজিবুর রহমান মুজিব, এ বি এম আরিফ হোসেন, মোঃ অলিদ হোসেন, ডাঃ মোঃ আওরঙ্গজেব, এড. শেখ মোঃ তরিকুল ইসলাম, এড. মোঃ সাজেদুর রহমান চৌধুরী বিপ্লব, মোঃ আসাদুজ্জামান সুমন, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি আহম্মদ উল্লাহ মধু, সোহরাব হোসেন স্বপন, সারোয়ার হোসেন মনা, নাজমুল হোসেন টুটুল, মোঃ কামাল উদ্দিন খান, আবু সাঈদ মোল্লা, দ্বীন মোহাম্মদ খোকা, সৈয়দ আহমেদ, মাহবুবুর রহমান পলাশ, যুগ্ম-সম্পাদক জাফর আহমেদ রানা, মোঃ ওমর ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বকুল, গাজী সারোয়ার হোসেন বাবু, মোঃ মাকসুদুর রহমান, কাজী ইব্রাহিম খলিল মারুফ, প্রচার সম্পাদক এরমান হক বাবু, দপ্তর সম্পাদক এমদাদুল হক এমদাদ, অর্থ সম্পাদক ফিরোজ উদ্দিন আহমেদ সায়মন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. শাহানাজ পারভীন হীরা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশিকুর রহমান নাদিম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক গোফরান গাজী, সমবায় সম্পাদক বোরহান উদ্দিন চৌধুরী টোটন, উপ-প্রচার সম্পাদক সুজা উদ্দিন আহমেদ হারুন, উপ-দপ্তর খন্দকার আরিফ-উজ-জামান, উপ-শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও পাঠাগার সম্পাদক মোঃ আলতাফ হোসেনসহ কেন্দ্রীয়, মহানগর ও বিভিন্ন ওয়ার্ড যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।

Comments