শেরপুর-জামালপুর সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক

শেরপুর-জামালপুর সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক

শেরপুর-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের নন্দীর বাজার নামক স্থানের কজওয়ের (ডাইভারশান) ওপর বন্যার পানি কমে যাওয়ায় প্রায় এক সপ্তাহ পর সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

ব্রহ্মপুত্রের পানি আরও কমে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে জেলায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে চরাঞ্চলের গ্রামীণ রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি ও ফসলের মাঠ এখনও ডুবে আছে।বন্যাকবলিত এলাকার বিভিন্ন স্থানে পানিবাহিত রোগবালাই দেখা দিয়েছে।বন্যার কারণে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে ৮০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কলেজসহ মাধ্যমিক পর্যায়ের ২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

শেরপুর জেলা বন্যা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বন্যায় শেরপুর জেলার ৫২টি ইউনিয়নের মধ্যে ৩০টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এতে কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ, সড়ক যোগাযোগ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ নানা অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।এর মধ্যে রোপা আমন বীজতলা, সবজি, আউশ আবাদ, পাট ও ফলবাগান বিনষ্ট হয়ে প্রায় ৩০ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বন্যার পানিতে ৯ শিশু ও বজ্রপাতে একজনসহ মোট ১৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।বন্যায় জেলার ২৮৫ হেক্টর সবজি ক্ষেত, এক হাজার ১৫৫ হেক্টর রোপা আমন ধানের বীজতলা, ৬০ হেক্টর পাট এবং ৫৭৫ হেক্টর জমির আউস ধানের ক্ষেত পানিতে ডুবে গেছে।৫০০ ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ, দুই হাজার ঘরবাড়ি আংশিক, বাঁধ এক কিলোমিটার সম্পূর্ণ এবং আট দশমিক ৭৫ কিলোমিটার আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।বন্যাকববলিত এলাকাগুলোতে জেলা প্রশাসনের আওতায় ইতিমধ্যে ১০৫ টন চাল ও দেড় লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে ৫৭টি মেডিকেল টিম কাজ করছে।

Comments